চাঁদা না দেওয়ার জেরে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক থেকে দেড় শ লোক দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন না। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি করে ঢাকায় ফিরে তিনি ফেসবুক লাইভে স্টুডিওর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।
স্টুডিওর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা যায়, রাতে হঠাৎ শতাধিক লোক স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কর্মীরা শৌচাগারে আত্মগোপন করেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানেও অস্ত্র ঠেকিয়ে তাঁদের মুঠোফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় কেউ হতাহত না হলেও স্টুডিওর প্রয়োজনীয় সব দামি যন্ত্রপাতি লুট করা হয়েছে।
ফেসবুক লাইভে সালমান জানান, স্টুডিওতে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের শুটিং ফুটেজ ও দামি সরঞ্জাম ছিল, যা লুট হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ বিশাল হতে পারে। তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, আনুষ্ঠানিকতার জন্য একটি মামলা করা হবে। তবে আর্থিক ক্ষতির নির্দিষ্ট অঙ্ক তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি।
নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের স্টুডিও ধ্বংস হলেও কাজ থামিয়ে দেবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সালমান মুক্তাদির। লাইভে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও অভিযুক্ত বিএনপি কর্মীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে এই চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট কারও কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
